Logo
নোটিশ :
দেশের সকল জেলা-উপজেলা-থানা,পৌরসভা,বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । প্রচারেই প্রসার, সীমিত খরচে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেন আমাদের পত্রিকায় । যোগাযোগ: 019 79 91 08 65 ।
সংবাদ শিরনাম :
মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভূমি অফিস পরিদর্শনে ডিএলআরসি : এলডি ট্যাক্স সফটওয়ারের পাইলটিং কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদেক্ষপ গ্রহণের নির্দেশ ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাক, ট্র্যাংকলরী, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে নতুন জামাইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  হিজলায় বিক্ষুব্ধ জনতার ধাওয়ায় পংকজ নাথ’র দৌড়! ঠাকুরগাঁওয়ে বিষ্ণুর প্রতিকৃতি সম্বলিত টেরাকোটার মূর্তি উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে দৈনিক প্রতিদিনের উত্তরবঙ্গ পত্রিকার ঈদ পুনর্মিলনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন মেহেন্দিগঞ্জে অটো ও নসিমনের মুখোমুখী সংঘর্ষ আহত ২ ভোলায় সাংসদ পংকজের অনুসারী ফেন্সিডিল সহ পুলিশের হাতে আটক সংবাদকর্মী থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রথম নারী মেয়র আ’লীগের বন্যা, ফল বর্জণ বিএনপির

ভারত চীন সংঘাত হবে ভারতের জন্য আত্নঘাতী

স্টাফ রিপোর্টার:

সম্প্রতি চীন-ভারত সম্পর্ক লাদাখ সীমান্ত ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।এরই মাঝে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী চীনের কাছে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে শান্তির বার্তা পাঠিয়েছেন।ভারত যে শান্তিতে বিশ্বাস করে তাও বারবার চীন বরাবর কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রেরণ করা হয়েছে।কারন ভারত নিজেও জানে অন্তত এ অবস্থায় চীনের সাথে কোনরুপ সংঘাতে জড়ানোর সিদ্ধান্ত হবে আত্নঘাতী।বিগত ১ মাস যাবত টানটান উত্তেজনার পর গত ১৫ জুন চীনা-ভারতীয় সেনাদের মাঝে সংঘর্ষ হয়।এতে ভারতীয় দাবী অনুযায়ী ২০ জন সেনা নিহত হন,যদিও মুল সংখ্যা জানা যায়নি।

চীনা সেনা হতাহতের ঘটনা ঘটলেও তার প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে জানা যায়নি।দুই দেশের সেনা হতাহতের পর ভারত এবং চীন উভয় দেশই লাদাখে সেনা সমাবেশ বৃদ্ধি করেছে।একধাপ এগিয়ে ভারত তার সেনাদের প্রয়োজনে যে কোন পদক্ষেপ নেবার ক্ষমতাও দিয়েছে।কিন্তু এরই মাঝে নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন-“কেউ আমাদের সীমান্তে অনুপ্রবেশ করেনি। কেউ এখন সেখানে নেই। আমাদের কোনও নিরাপত্তা চৌকিও দখল হয়ে যায়নি”…অবশ্য এমন মন্তব্যকে অবশ্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বেইজিং।চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের ভাষায়,ভারত এসব বক্তব্যের মাধ্যমে মুলত গালওয়ান উপত্যকায় সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমিত করতে চাইছেন।ভারতের চীনকে দোষারোপ করার নৈতিক অধিকার নেই-অধ্যাপক লিং মিন। তার ভাষায় ভারতের উস্কানীতে যদি ১৯৬২ সালে যুদ্ধাবস্থার সৃষ্টি হয় তার জন্য দায়ী হবে ভারত।এছাড়া, অন্যান্য সামরিক বিশ্লেষকেরা,ভারতের সংঘাতে জড়াবার আগে চীন কতটা শক্তিশালী তা নিয়ে ভাবার পরামর্শ দিচ্ছেন।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *