Logo
নোটিশ :
দেশের সকল জেলা-উপজেলা-থানা,পৌরসভা,বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । প্রচারেই প্রসার, সীমিত খরচে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেন আমাদের পত্রিকায় । যোগাযোগ: 019 79 91 08 65 ।
সংবাদ শিরনাম :
কর্মী ছাড়া দল আর দল ছাড়া নেতা বাঁচবে না,তাই কর্মীকে আগলে রাখুন- সোহেল

কর্মী ছাড়া দল আর দল ছাড়া নেতা বাঁচবে না,তাই কর্মীকে আগলে রাখুন- সোহেল


রাজনীতি ডেস্ক :পানি ছাড়া মাছ বাচেঁনা,শিকড় ছাড়া গাছ বাচেঁনা। তেমনি কর্মী ছাড়া দল বাচেঁনা,দল ছাড়া নেতা বাচঁবেনা।তাই  কর্মীদের মুল্যায়ন করুন নিজে মূল্যায়িত হবেন এবং হবেন সম্মানীত এভাবেই হৃদয়ে কঠোর ক্ষোভ পুষে প্রানপ্রিয় কর্মীদের জন্য অনর্গল বানী নির্গমন করেছেন তৃনমুল থেকে উঠে আসা বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সোহেল আমিন হাওলাদার।       
ছাত্রনেতা বনে গিয়েও অকপটে স্বীকার করেছেন বর্তমানে ছাত্র রাজনীতিতে কর্মীদের দূর্দশার কথা। তীব্র ক্ষোভ নিয়ে কর্মীদের কাতারে দাঁড়িয়ে লিখেছেন বর্তমান পরিস্থিতির কথা। নিচে তার বক্তব্য তুলে ধরা হলো-      
কর্মীকে দিয়ে পোষ্টার লাগান,কর্মীকে দিয়ে ব্যানার লাগান,কর্মীকে দিয়ে রাজপথে মিছিল করান,কর্মীকে দিয়ে হরতাল করান,কর্মীকে দিয়ে বিরোধীদলের নেতা দমান,কর্মীকে দিয়ে লিফলেট বিতরণ করান,কর্মীকে দিয়ে নির্বাচনে নির্ঘুম প্রচরণার হুকুম দেন,কর্মীকে সেন্টার পাহাড়ার দায়িত্ব দেন,কর্মীকে দিয়ে নেতা হবেন, কর্মীকে দিয়ে নিজে ক্ষমতার চেয়ারে বসেন ইত্যাদি।এসব কাজ করলে কর্মীরা শতভাগ ভালো। 
কিন্তু……কর্মীকে দিয়ে শীত বস্ত্র বিতরন করাতে লজ্জা লাগে? কর্মীকে দিয়ে চাউল বিতরণ করতে বিবেকে বাধা দেয় ? কর্মীকে দিয়ে ব্যবসা করাতে সংকোচ লাগে ? কর্মীকে দিয়ে ভালো কোনো কাজ করালে নিজের সম্মান কমবে সেটা অনুভব করেন ? কর্মীকে দাওয়াত দিতে ঘৃণা লাগে কারণ আধুনিক পোষাক নেই বলে ?কর্মীকে ২ লাখ টাকা হাওলাত দিতে পিছুটান কারণ কর্মীতো সৎ,সে তো কিছু করে না এতটাকা দিবে কি করে তাই না ? কর্মীদের গায়ে থেকে দুর্গন্ধ আসে কারন রাজপথের ঘাম লেগে থাকে, কর্মীরা ঘন্টার পর ঘন্টা লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকে নেতাদের কাছে কোনো সুপারিশের জন্য কিন্তু চাটুকারেরা আগে,কর্মীরা নিজের মা-বাবা কে ঠিকমত চালাতে পারেনা কিন্তু নেতারা শুধু নিজে না শশুর বাড়ি, পড়শি ,আত্নীয় স্বজনদের ও আরামে চালিয়ে নিয়ে যায়।
কিন্তু কর্মীরা সরে গেলে/ স্বার্থের কারণে সরিয়ে দিলে/ মরে গেলেও লাশ নিয়ে হয় রাজনীতি নেতারা বলে চিনিনা,আমার লোক না,খারাপ লোক ছিল,ইত্যাদি ইত্যাদি ।
তবে কর্মীরা সবসময় নেতাদের সম্মান করে যার যোগ্য সব নেতা নয়। কর্মীদের বুক ফাটে কিন্তু মুখ ফাটেনা। কর্মীরা বেঈমান নয় বেঈমান নেতারা। কর্মীরা সারাদিন রাজনীতি করে বাড়িতে ফিরে মা বাবার বকুনি খায় কিন্তু নেতারা খায় পোলাও কোর্মা। কর্মীরা নেতার জন্য ঝুকি নেয় নেতারা সেটা দুর্বলতা মনে করে।কর্মীরা একটা ভুল করলে অনুতপ্ত হয় নেতাদের হাজার ভুল পদদলিত। কর্মীরা শুধু নেতা নয়,দলকে বাঁচিয়ে রাখে।
অতএব সবশেষে বুঝা যায় কর্মী’ই বড়। কর্মীদের মুল্যায়ন করুন নিজে মূল্যায়িত হবেন এবং হবেন সম্মানীত। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *