Logo
নোটিশ :
দেশের সকল জেলা-উপজেলা-থানা,পৌরসভা,বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । প্রচারেই প্রসার, সীমিত খরচে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেন আমাদের পত্রিকায় । যোগাযোগ: 019 79 91 08 65 ।
সংবাদ শিরনাম :
ইকরামুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন’ হবিগঞ্জ জেলা শাখার পক্ষ থেকে কুরবানির মাংস বিতরণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ মগধরা চেয়ারম্যান এস এম আনোয়ার হোসেনের বাহুবলে বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত বাহুবল-চুনারুঘাটের সীমান্ত এলাকার খোয়াই নদী থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার “০৪ বছর ধরে একই গল্প শুনে আসছি, ব্রিজ ঠিক করা হবে: গ্রামবাসী” শেরপুর জেলা হাবিপ্রবিয়ানদের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও ঔষধ বিতরণ হাসানুজ্জামান জিল্লুর ঈদ শুভেচ্ছা নৌবাহীনি কন্টিনজেন্ট সন্দ্বীপ কতুক পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরন বাহুবলে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ কমলনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী আজাদ বাঘার ঈদের শুভেচ্ছা
“০৪ বছর ধরে একই গল্প শুনে আসছি, ব্রিজ ঠিক করা হবে: গ্রামবাসী”

“০৪ বছর ধরে একই গল্প শুনে আসছি, ব্রিজ ঠিক করা হবে: গ্রামবাসী”

নিজস্ব প্রতিনিধি:
 
ঝালকাঠি জেলার, রাজাপুর উপজেলার ১নং সাতুরিয়া ইউনিয়ন, উত্তর তারাবুনিয়া গ্রামের প্রায় সকল রাস্তাই কাচা। এছারাও চলাচলের ব্রিজের বেহাল দশা।
চরম ভোগান্তিতে গ্রামবাসী। এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি চায় তারা। গ্রামের অনেকেই প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গ্রামের কাচা রাস্তা ও ভাঙা ব্রিজের চিত্র তুলে ধরেছেন।
তাদের মধ্য থেকে এক জন ব্যক্তির পোস্ট হুবহু নিচে তুলে ধরা হল:
>>>>ব্রিজ নাকি মরন ফাঁদ??
গত ৪ বছর ধরে একই গল্প শুনে আসতেছি ব্রিজ ঠিক করা হবে।
স্থানটি ঝালকাঠি জেলার, রাজাপুর উপজেলার ১নং সাতুরিয়া ইউনিয়ন, উত্তর তারাবুনিয়া গ্রাম। উন্নয়ন্নের জোয়ার তো সব জায়গাতে বইছে কিন্তু এই এই গ্রাম বাসী মনে হয় না বিন্দুমাত্র উন্নয় এর ছোয়া পেয়েছে!
একে তো মাটির রাস্তা আর খাল পারাপারের জন্য ব্রিজের এই অবস্থা।
এই ব্রিজের পাশেই একটা সরকারী স্কুল রয়েছে, উত্তর তারাবুনিয়া ১২৪নং তোজাম্মেল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চারা এটা পার হয়ে কিভাবে স্কুলে যায়!! একে তো মাটির রাস্তা বর্ষা কালে রাস্তা থেকে হাটতে হলে পায়ে তো থাকে কাদা আর তা নিয়ে ব্রিজে উঠলে স্লিপ কেটে পরে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও ঘটতে পারে। তখন কে দায় নিবে?
শুধু স্কুল ছাত্র-ছাত্রী নয় এ দুরভোগে ভুগতেছে গ্রামবাসী।
গ্রাম থেকে বের হতে এটাই তাদের মূল পথ, প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয় তাদের। এজন্য ব্রিজের উপরে কলাগাছ, বা সুপারী গাছ দিয়ে কোন মতে যাতায়াত করে তারা। বাড়িতে ভাড়ি মালামাল আনতে তার পারছে না যাতায়াত এর জন্য কোন রিক্সসা-গাড়ি প্রবেশ করাতে কারন পুরো রাস্তাই মাটির, আর ব্রিজের তো এই হাল। আর সেখানে তো এখন হেটে যাওয়াও মুসকিল গ্রাম বাসির।
সাংবাদিক ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি আপনারা বিষয় টা শেয়ার করতেন তাহলে প্রশাসন এর নজরদারিতে পরে তারা যদি গ্রাম বাসি জন্য রাস্তা ও এই ব্রিজ টি দেখে গ্রাম বাসির প্রতি দয়া হইতো। তাহলে গ্রাম বাসীর অনেক উপকার হতো।<<<
তাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি; বিষয়টি আমলে নিয়ে অতি দ্রুত এর সমাধান করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *