Logo
নোটিশ :
দেশের সকল জেলা-উপজেলা-থানা,পৌরসভা,বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । প্রচারেই প্রসার, সীমিত খরচে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেন আমাদের পত্রিকায় । যোগাযোগ: 019 79 91 08 65 ।
সরকারি যে স্বাস্থ্যব্যাবস্থা রয়েছে তার সবটাই দুর্নীতিতে ভরা; মির্জা ফখরুল

সরকারি যে স্বাস্থ্যব্যাবস্থা রয়েছে তার সবটাই দুর্নীতিতে ভরা; মির্জা ফখরুল

ইভিএম এ ধানের শীষে ভোট দিলে চলে যায় নৌকায়…..ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

ফিরোজ সুলতান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : করোনা ভাইরাস আসার পরে দেশে কয়েকটি জিনিস খুব পরিস্কার হয়েছে,তার মধ্যে একটি হচ্ছে আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা সবচেয়ে ভঙ্গুর। এখানে সরকারি যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা রয়েছে তার সবটাই দুর্নীতিতে  ভরা। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা পাওয়ার যে সুযোগ এটি এখানে সবচেয়ে কম বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

ফখরুল আরো বলেন,সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছে করোনার ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে ভারত থেকে। এটা কে সংগ্রহ করবেন, একজন ব্যক্তি মালিকাধীন মানে একটি কোম্পানী যার মালিক হচ্ছেন এই সরকারের উপদেষ্টা। তারা প্রায় দেড় ডলার বেশি দিয়ে এগুলো আনবেন। সরকারের প্রতিটি ক্ষেত্রে চুরি করার যে একটা প্লান থেকে যায় ঠিক সেই ভাবে তারা এই চুড়িগুলো করছে।

ইভিএম সম্পর্কে তিনি বলেন, পৌর  নির্বাচনের সকল কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহারের একতরফা ব্যবস্থা নিয়ে ডিজিটাল কারচুপির নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে সরকার ও তার নির্বাচন কমিশন। ইভিএম এ ধানের শীষে ভোট দিলে চলে যায় নৌকায়। ইভিএমমের যে বোতামই টিপা হোক না কেন, ফলাফল কিন্তু তাদের ঠিক করা স্থানেই যাবে। আমরা চাই নিরপেক্ষ একজন নির্বাচন কমিশনার সেই সাথে ইভিএম বাতিল করে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটপ্রদান। ইভিএম ব্যবহার নিশ্চয়ই ভোটারদের জন্য সহজ এবং বোধগম্য কোন পদ্ধতি নয়। আমাদের সহজ সরল ভোটারগণ ইভিএমের মতো জটিল প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত নয় এবং সেভাবে যথাযথ প্রশিক্ষনও পায়নি।

২০২০ শুধু বিএনপির জন্য নয় বাংলাদেশের জন্য একটা খারাপ বছর উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, এই বছরে সরকারের কর্তৃত্ববাদের যে চেহেরা তা আরো প্রচন্ডভাবে বেড়িয়ে এসেছে,ডিজিটাল আইনে অনেক সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে,ধর্ষণ এ বছরের মধ্যে সবথেকে বেশি বেড়েছে,দুর্নীতি সবথেকে বেশি বেড়েছে সেই সাথে জনগনের অধীকার হরণ এই বছরেই সব থেকে বেশি হয়েছে।

জিয়াউর রহমানের মাধ্যমেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি আমুল পরিবর্তন হয়েছে এমনটি দাবী করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ১৯৭৫ সালের পর থেকে জিয়াউর রহমান যখন অর্থনীতিতে সংস্কার,গার্মেন্টস,রেমিট্যান্স,কৃষিতে খাল-খনন এসমস্ত কর্মসূচি তিনি নিয়ে আসলেন, সে সময় থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি আমুল পরিবর্তন হয়েছে। সেই পরিবর্তনের ধারা অনুযায়ী আজকে বাংলাদেশে অর্থনীতির অগ্রগতি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন,আজকে যদি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকতো আরো দ্রæতো গতীতে অর্থনীতির অগ্রগতি হতো। যা কিছু উন্নয়ন হয়েছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শুরুটাই হয়েছে প্রেসিডেন্ট শহিদ জিয়াউর রহমানের আমলেই। সেই সময় যে কয়েক বছর নির্বাচন হয়েছে সেগুলো নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করে সরকারগুলো গঠন হয়েছে।

এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সল আমিন সহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *