Logo
নোটিশ :
দেশের সকল জেলা-উপজেলা-থানা,পৌরসভা,বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক । প্রচারেই প্রসার, সীমিত খরচে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেন আমাদের পত্রিকায় । যোগাযোগ: 019 79 91 08 65 ।
ঠাকুরগাঁওয়ে পাওনা টাকার জন্যে মারধরের অপমানে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ঠাকুরগাঁওয়ে পাওনা টাকার জন্যে মারধরের অপমানে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ফিরোজ সুলতান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : পাওনা ১ হাজার টাকার জন্যে বাজারে প্রকাশ্যে যুবলীগ নেতা কর্তৃক লাঞ্ছিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন আব্দুল গফুর (৪০) নামে এক মাছ ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের সনগাঁও গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। আব্দুল গফুর ওই গ্রামের নেনকু মোহাম্মদের ছেলে বলে তথ্য পাওয়া যায়। আত্মহত্যা করার আগে ভিডিও বার্তায় তার মৃত্যুর কারন জানিয়ে গেছেন তিনি।

এর আগে ওইদিন সকালে স্থানীয় পৌকানপুর বাজারে পাওনা এক হাজার টাকা না দেওয়ার অপরাধে তাকে মারধর করেন স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা জমির উদ্দীন। এসময় মারধরের ভিডিও মোবাইলে ধারন করেন ওই নেতা ।

আব্দুল গফুরের স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, সকালে পাশের গ্রামের পয়জার আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা জমির উদ্দীন দুবার টাকা চাইতে বাড়ীতে আসেন। আমার স্বামীকে না পেয়ে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে। মোবাইল রিসিভ না হলে, বাড়ী থেকে রেগে বেরিয়ে যান জমির উদ্দীন । এরপরে স্থানীয় বাজারে দেখা হলে প্রকাশ্যে বাজারের লোকজনের সামনে আমার স্বামীকে মারপিট করে সে। অপমান সহ্য করতে না পেরে আমার স্বামী বাসায় আসার আগেই একাধিক গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে নেয়।

প্রতিবেশী নাসিরুল ইসলাম জানান, আমরা গফুরকে বাঁচানোর জন্য প্রথমে বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই গফুর মারা যায়। তবে মৃত্যুর আগে আব্দুল গফুর একটি ভিডিওতে বলে গেছেন, টাকার জন্য প্রকাশ্যে গালিগালাজ ও মারপিটের অপমান সহ্য করতে না পেরে আমি গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করছি।

মাত্র ১ হাজার টাকার জন্য আত্মহননে বাধ্য করার দায়ে যুবলীগ নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে মৃত ব্যবসায়ীর পরিবার ও প্রতিবেশীরা।
এ বিষয়ে যুবলীগ নেতা জমিরউদ্দীনের বাড়ীতে গিয়ে তার দেখা পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তিনি ফোন ধরেনি।

বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল হক প্রধান জানান, তার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হলে আমরা তা নথিভুক্ত করেছি।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *